সৌমাল্য গরাই এর দুটি কবিতা

অবলুপ্তি

গভীর সমুদ্র ডুব দিচ্ছে নিজের ভেতর। একটা আয়না মুখ ভেসে উঠল, প্রার্থনা ও মন্থন সমূহ উড়ে গেল দিকচক্রবালে। দূরে ঘূর্ণিফেরত জাহাজ ভাঙা মাস্তুলে  নিশানা দিচ্ছে।  ধাতব মাথার মধ্যে ঘুরপাক খায় বিষধর সর্প, তাদের অজ্ঞাত ডিম ফুটে জলমিথুনের সময় ঘনালো। জানি এসময় নিষাদ আসবে ক্রৌঞ্চবিরহের তির হয়ে। ধীরে ধীরে তার চোখ সরে যাবে নিজ অবস্থান থেকে।  এমন ঘোরের পাশে দেখব স্বয়ং আমি কুঁকড়ে গিয়েছি —সম্পূর্ণ সমুদ্র, সম্পূর্ণ জাহাজ অথবা মানুষ না হতে পেরে টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়ছি বায়ুতে,অগ্নিতে, বিলুপ্তিতে...


বিপ্রলব্ধ 

সময় হয়েছে চলো ফিরে যাই অতীতচারিণী  
নদী তো এগিয়ে এলো বিশুদ্ধ নুনের স্মৃতি আগলাবে বলে
সমুদ্র ছেড়েছে স্রোত হারানো বন্দরে 
নিজেকে শোনাও ধ্বনি, সামগান 
 নিভেছে যে আত্মদীপ
প্রস্থানের সম্মুখেই বলো —
তথাগত,
         আনন্দকে নিয়ে বয়সের দিকে ফিরে যাও
প্রবেশের মন্ত্র ভুলে গ্যাছো বলে, ভুল অপেক্ষায় 
পূর্বরাগ, দরজা খুঁজে পাচ্ছে না কোথাও



মন্তব্যসমূহ

পাঠকপ্রিয়

সেলিম মণ্ডলের গুচ্ছকবিতা

সোনালী চক্রবর্তীর কবিতা

সৌমিতা চট্টরাজের কবিতাগুচ্ছ

সৌভিক গুহসরকারের কবিতা

মধুমিতা রায়ের কবিতাগুচ্ছ